মুক্তা পানির প্রচারের দায়িত্ব না হয় আমরাই নিলাম

মুক্তা পানি। বাংলাদেশ সরাকারে একটি পন্য। পানির বোতল দেখতে অন্যান্য নামীদামী ড্রিঙ্কিং ওয়াটার কোম্পানির পানির বোতলের মত এত আহামরি কিছু নাহলেও এর গুনাবলির তাদের থেকে কোন অংশে কম না। তবে এই পানির অন্য সবগুলা গুণাবলিকে ছাড়িয়ে যে ব্যাপারটা সব থেকে বেশি লক্ষণীয় তা হচ্ছে, এই পানির উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সব কিছুই হয় আমাদের প্রতিবন্ধী ভাই বোনদের দাঁরা। এবং এই পানি থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ পুরোটাই খরচ হবে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের। তাই এই পানির গুরুত্ব অন্য আট-দশটা পানি থেকে একটু বেশি।

গত মঙ্গলবার ওয়ার্ল্ড অটিজম সচেতনতা দিবসের এক অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন শেখ হাসিনা “এই পানিটা এখন থেকে আমার অফিসে(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)নিয়মিত আমি চাই”। উনি আপসোস করে এই বলেন ” কিন্তু কেন যেন কেউ আমার অফিসে এই পানিটা দিতে চায় না”।

মুক্তা পানি ব্যাবহারের নির্দেশ

মূলত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই ভেবে এই পানি বাজারজাত করার জন্য বেশি জোর দিচ্ছেন যেন, আমাদের প্রতিবন্ধীরা যেন সমাজের বোঝা নাহয় সেই জন্য।

তিনি আরো নির্দেশ যে, এখন থেকে উনার কার্যালয় এবং অন্যান্য কার্যালয়েও যেন এই পানির ব্যাবহার নিশ্চিত করা হয়।

এই পানি উৎপাদনের সাথে সম্পৃক্ত ব্যাক্তিরা জনান, এই পানি বর্তমানে যে পরিমান উৎপাদন হয় তার থেকে বেশি পানি উৎপাদনের ক্ষমতা আমাদের আছে।

তাই আসুন, আমরা আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে মুক্তা পানির প্রচার-প্রসারে এগিয়ে আসি এবং আমাদের প্রতিবন্ধী ভাই বোনদের আয়ের একটা উৎস তৈরি করে দেই।

1 thought on “মুক্তা পানির প্রচারের দায়িত্ব না হয় আমরাই নিলাম”

Leave a Comment

WIN A FREE IPHONE

TO WIN A FREE IPHONE CLICK THE LINK BELOW